আবৃত্তি এবং জীবনানন্দ দাশ—বাংলা কবিতার আধুনিকতায় এই দুটি নাম অঙ্গাঙ্গিভাবে জড়িত। জীবনানন্দের কবিতার উপমা, চিত্রকল্প এবং নির্জনতার সুর আবৃত্তিকারদের জন্য সব সময়ই এক বিশেষ আকর্ষণের জায়গা। আবৃত্তিকারের ব্যক্তিগত রুচি এবং কণ্ঠস্বরের ভিন্নতার কারণে একেকজনের কাছে তাঁর প্রিয় কবিতার তালিকা একেক রকম হয়।
তবুও সাধারণ পাঠক এবং আবৃত্তিশিল্পীদের কথা মাথায় রেখে ‘আবৃত্তি গুরুকুল’-এর পক্ষ থেকে আমরা একটি তালিকা তৈরি করার চেষ্টা করেছি। আমাদের এই সংকলনটি নিয়মিত হালনাগাদ করা হবে, যাতে আপনারা সবসময় নতুন নতুন কবিতার সন্ধান পান।
আপনার পছন্দের কোনো জীবনানন্দ দাশের কবিতা যদি এই তালিকায় বাদ পড়ে থাকে, তবে অবশ্যই কমেন্টে আমাদের জানান। আমরা পরম আগ্রহে সেটি তালিকায় যুক্ত করে দেব। আপনাদের পরামর্শই আমাদের এই প্রচেষ্টাকে আরও পূর্ণাঙ্গ করে তুলবে।
কাব্যগ্রন্থের নাম ও সাল:
ঝরা পালক (১৯২৭) – এটি তাঁর প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ।
ধূসর পাণ্ডুলিপি (১৯৩৬) – আধুনিক বাংলা কবিতার বাঁক বদলের অন্যতম দলিল।
- নির্জনতা
- ক্যাম্পে
- হাওয়ার রাত
- স্বপ্নের হাতে
বনলতা সেন (১৯৪২) – জীবনানন্দের সবচেয়ে জনপ্রিয় ও পাঠকনন্দিত কাব্যগ্রন্থ।
মহাপৃথিবী (১৯৪৪)
- আট বছর আগের একদিন
- ঘাস
সাতটি তারার তিমির (১৯৪৮) – নাগরিক জীবন ও যুদ্ধের পটভূমি এই গ্রন্থের উপজীব্য।
- নগ্ন নির্জন হাত
- অন্ধকার
রূপসী বাংলা (১৯৫৭) – কবির মৃত্যুর পর প্রকাশিত, বাংলার প্রকৃতির এক অনন্য রূপ।
- বাংলার মুখ আমি দেখিয়াছি
- আবার আসিব ফিরে
বেলা অবেলা কালবেলা (১৯৫৮)
-
মহাপৃথিবী
জীবনানন্দ দাশের শ্রেষ্ঠ কবিতা (১৯৫৪) – কবির জীবদ্দশায় প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য সংকলন।
কবিতার কথা (১৯৫৫) – জীবনানন্দ দাশের কাব্যবিষয়ক প্রবন্ধের বই।